সুধাময়
বদলির অর্ডারটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকেন সুধাময়। অন্যান্য সহকর্মীরা আড়চোখে তাঁকে লক্ষ করে। এই বদলির আসল কারণ সকলেই জানে। সুধাময় দক্ষ কর্মচারি। সার্ভিস-রুলবুক তাঁর মুখস্থ। যেকোনো সমস্যায় ডিপার্টমেন্টের পিওন থেকে অফিসার – সকলে তাঁর পরামর্শ চায়। উদ্ভূত সমস্যার নিয়মমাফিক সমাধান কী হতে পারে - তাঁর কাছ থেকে জেনে নেয়। কাজে ফাঁকি দেন না সুধাময়, ফাইল আটকে রাখেন না। কোনো কাজই তাঁর টেবিলে জমে থাকে না। কাজ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কমপ্লেনের কোনো অবকাশই নেই। তবু কমপ্লেন তৈরি হল। আর্থাৎ কমপ্লেন ম্যানুফেকচার হল। কোনের টেবিলে বসে রূপক কর তাকিয়ে থাকে সুধাময়ের দিকে। রূপকের সাথে চোখাচোখি হতেই সুধাময় মুখে হাসি টেনে আনার চেষ্টা করেন। যা আসে , তা শুধু গাল আর ঠোঁটের পেশী মিলে একসারসাইজের মতো কিছু হয়। কিন্তু তাই রূপকের কাছে যথেষ্ট। সে সিট ছেড়ে উঠে আসে। সুধাময়বাবুর টেবিলে এসে সামনের চেয়ারটায় ধপ করে এসে বসে পড়ে রূপক। বলে – এইটা কী হইল সুধাময়দা!’ -‘ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ না করনের শাস্তি।‘ কথাটা ঠিকই। কিন্তু রূপক আস্বাস্তি বোধ করে। কে শুনে ফেলে কার...