কচুয়া শাড়ি দারাসিং লাফ
শাবানা বেগম গায়ে খেটে সংসার চালায়। সংসারটা ছোট। এক মেয়ে দীপ্তি, দুই ছেলে রিয়াজ আর রমিজ। মাত্র বাইশ বছর বয়সে বিধবা হয়ে দ্বিতীয়বার নিকা হতে পারত শাবানার। কিন্তু সে সেই পথে হাঁটে নি। সে জানত, নিকা হলেও তাকে গায়ে খেটেই পেট চালাতে হবে। ফুলপুর এক অজ পাড়াগ্রাম। এখানে গায়ে খাটা মানে ধনী লোকের বাড়িতে উঠান ঝাড়ু দেয়া থেকে গরুবাছুরের কুড়াসিদ্ধ করা, ধান পাকলে উঠানে সেই ধান শুকানো, রসুইঘরে ঢিপি-ঢিপি পেঁয়াজ-রসুন কাটা, যত রকমের ঝড়তি-পড়তি কাজ থাকে সংসারে – সব করা। আল্লাহ্ রহম, শাবানার স্বাস্থ্য ভালো। শরীরে রোগ-বালাই নেই। শীত-গ্রীষ্ম তাকে কাবু করতে পারে না। খুব সে খাটে। চারটি পেট ভরাতে গিয়ে খাটনির একশেষ করে ছাড়ে সে। সমস্যা হয়, পেটগুলো যখন দিনদিন বড় হয়। ভবিষ্যত উজ্জ্বল করার জন্য রিয়াজ-রমিজকে ইস্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে শাবানা। তারা যায় ইস্কুলে, লেখাপড়ায় মন আছে। কিন্তু উঠতি বয়সের খুদা তাদের। ডাইল-ভাতের ব্যবস্থা করতে গিয়ে কুল পায়না শাবানা। এম...